প্রচ্ছদ

কুরবানী উনার দিনের সময়সীমা

কুরবানী উনার দিনের সময়সীমা

আইইয়ামে নহর বা পবিত্র কুরবানী উনার দিনের সময়সীমা

 

পবিত্র কুরবানী করার সময়সীমা হচ্ছে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০তারিখ পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নামায উনার পর হতে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত। পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নামায উনার পূর্বে পশু যবেহ করলে যেমন কুরবানী আদায় হবে না, তেমনিভাবে ১২ তারিখের সূর্যাস্তের পরও কুরবানী করলে কুরবানী আদায় হবে না।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنِ حَضْرَت الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ رَضِى اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَاِنَّ اَوَّلَ مَا نَبْدَاُ فِي يَوْمِنَا هَذَا اَنْ نُصَلّيَ ثـمَّ نَرْجِعَ فَنَنْحَرَ فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ اَصَابَ سُنَّتَنَاوَمَنْ نَـحَرَ قَبْلَ الصَّلاَةِ فَاِنَّـمَا هُوَ لَـحْمٌ قَدَّمَهُ لاَهْلِهِ لَيْسَ مِنَ النُّسْكِ فِي شَيْءٍ
র্থ :“হযরত বারা ইবনে আযিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ,সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা মুবারক দিলেন এবং তাতে বললেন, আমাদের এই পবিত্রতম দিনে তথা পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দিনে সর্বপ্রথম কাজ পবিত্র নামায আদায়করা, অতঃপর নামায থেকে ফিরে গিয়ে পবিত্র কুরবানী করা। সুতরাং যে এভাবে করবে তার কাজ আমাদের তরীক্বা মতো হবে। আর যে পবিত্র নামায উনার আগেই পবিত্র কুরবানী করবে (তার কাজ তথা পবিত্র কুরবানীআমাদের তরীক্বামতো হয়নি)
অতএব তা স্বীয় পরিবারের জন্য প্রস্তুতকৃত গোশত হিসেবে গণ্য হবে, মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য উৎসর্গিত পবিত্র কুরবানী হিসেবে গণ্য হবে না।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, ইবনে হিব্বান শরীফ : ৫৯০৭)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে যে, কোনো কোনো ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র ঈদুল আদ্বহার নামায উনার আগে কুরবানী করেছিলেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি উনাদেরকে পুনরায় কুরবানী করার আদেশ করেন। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, ইবনে হিব্বান শরীফ : ৫৯১২, ৫৯১৩, ইবনে মাজাহ শরীফ, নাসায়ী শরীফ)

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

ফেসবুকে আমরা

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



৬০) পবিত্র কুরবানী কাকে বলে?

اضحية বা পবিত্র কুরবানী শব্দটি একবচন। বহুবচনে اضاحىএর আভিধানিক অর্থ কুরবানী, উৎসর্গ, পবিত্র কুরবানী উনার পশু ঈদুল আদ্বহার দিন যা যবেহ করা হয়। শরীয়ত উনার

বিস্তারিত পড়ুন

৬১) কুরবানী উনার ইতিহাস

আল্লাহ পাক নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ,হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলেন,- ‘আপনি আপনার রব তায়ালা উনার উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুণ ও কুরবানী করুন।’ (সূরা কাওসার

বিস্তারিত পড়ুন

৬২) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আলোকে পবিত্র কুরবানী

‘কুরবানী’ শব্দের অর্থ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারকে নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট পশু

বিস্তারিত পড়ুন

৬৩) পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরবানী

খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- انا اعطينك الكوثر فصل لربك وانحر অর্থ: “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

বিস্তারিত পড়ুন