১৬) মুসলিম দেশে পবিত্র কুরবানি নিয়ে মুশরিকদের বাড়াবাড়ি বরদাশত যোগ্য নয়, গণমানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটলে আচানক দেশে হিন্দু বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

১৬) মুসলিম দেশে পবিত্র কুরবানি নিয়ে মুশরিকদের বাড়াবাড়ি বরদাশত যোগ্য নয়, গণমানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটলে আচানক দেশে হিন্দু বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে

মুসলমানের রক্ত বলে কথা। বীরের জাতি। কতোদিন সহ্য করবে হিন্দুদের বাড়াবাড়ি। যবন ম্লেচ্ছ অস্পৃশ্য হিন্দুরা সরকারের নাকে দড়ি বেঁধে দেশে ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। ফায়দা লুটছে শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে থাকা কিছু গাদ্দার। তারা ভারতের ক্রীড়নক হয়ে হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। এরাই আজ মুসলমানদের স্বাধীন উন্মুক্ত হাতে শেকল পড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। একের পর এক আঘাত হানছে ধর্মীয় অনুভূতিতে। ওরা মুসলমানদের কুরবানি বন্ধ করে দিতে চায়। ওদের কথা মতো শাসকগোষ্ঠীও উদ্ভট নিতি নির্ধারণ করে জনগণের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। সারাদেশ জুড়ে হিন্দুরা পূজা করতে চায়, শত শত মন্দির গড়তে চায়। বাংলাদেশে থেকে এরা বাবরি মসজিদের মতো করে পবিত্র মসজিদগুলো ভেঙ্গে দিতে চায়। আর শাসকগোষ্ঠী তাদের খুশি করতে বুড়িগঙ্গার তীরে সরকারি (জনগণের) জায়গায় স্থাপিত মসজিদগুলো ভাঙার নোটিশ দিয়ে যাচ্ছে। কতো বড় দুঃসাহস হলে এই ম্লেচ্ছ যবন হিন্দুরা বাংলাদেশের মসজিদ ভাঙতে চায়? কতো বড় দুঃসাহস হলে এরা এদেশের হাইকোর্টে দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম উনাকে চ্যালেঞ্জ করে, ইসলাম বাদ দেয়ার জন্য রিট করে। কত বেশি স্বাধীনতা পেলে এরা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘দুই বাংলা’ নামক নাটক প্রকাশ্যে মঞ্চস্থ করছে।

ভারতীয় পতিতাদের এদেশে এনে তরুণ প্রজন্মে চরিত্র নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। শুধু কী তাই? প্রশাসনের ঘাড়ে বসে রাষ্ট্রীয় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে হিন্দুরা খুঁটি গেড়ে বসছে। প্রতিদিন সীমান্তে ভারতীয় বর্বর বিএসএফরা মুসলমানদের শহীদ করে যাচ্ছে। একটা সুঁই-সুতা পরিমাণ হলেও তা ভারত থেকে আমদানি করতে বাধ্য করছে। হিন্দু ও তাদের দোসরদের এসব বাড়াবাড়ি মুখ বুঁজে সহ্য করে যাচ্ছে দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠী। কিন্তু এখন দেশ ও জনগণের ধৈর্যশক্তি বাঁধ ভাঙার পর্যায়ে চলে গেছে। বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্রগুলো বাস্তবায়ন হলেই জনগণ যারপরনাই ক্ষুব্ধ হয়ে শক্তির জানান দিবে। এতে করে হয়তো হিন্দুর সংখ্যা হঠাৎ করেই কমে যাবে। তখন দুটি কুরবানির ধারা শুরু হয়ে যেতে পারে। একটি খোদায় বিধানের কুরবানি, আকেটি গণমানুষের আক্রোশের কুরবানি। অর্থাৎ আগের কুরবানিতো ঠিক থাকবেই সেইসাথে আরেকটি কুরবানির পর্ব শুরু হয়ে যেতে পারে। এমনটি হলে সরকারও স্মরণকালের ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন