১৭) জনসাধারণ মাত্রই অধিক পশুর হাটের প্রয়োজনিয়তা উপলব্ধি করেন; পশুর হাট কমানোর পক্ষে প্রচারণাকারী মিডিয়া ও মহলগুলো ভারতীয় এজেন্ট!

১৭) জনসাধারণ মাত্রই অধিক পশুর হাটের প্রয়োজনিয়তা উপলব্ধি করেন; পশুর হাট কমানোর পক্ষে প্রচারণাকারী মিডিয়া ও মহলগুলো ভারতীয় এজেন্ট!

কিছুদিন আগে দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার সম্পাদকীয়তে ঢাকায় পবিত্র কুরবানির হাট কমানোর পক্ষে নানা উদ্ভট যুক্তি দিয়ে আর্টিকেল লেখা হয়েছে। সম্পাদকীয় কলামের চৌম্বক অংশ এখানে উল্লেখ করা হলো- “… হাটের জন্য খালি জায়গা পাওয়া সম্ভব, কিন্তু সেই খালি জায়গার আশপাশেই তো রয়েছে জনাকীর্ণ অঞ্চল। তাই শহরের ভেতরে নয়, বরং শহরের প্রান্তবর্তী কিংবা নগর-সীমানা ঘেঁষে দশটি দিকে এসব হাট বসানো সম্ভব হলে সেটাই উত্তম হতো।…আমরা আশা করবো, রাজধানিতে বসবাসকারী দেড় কোটি মানুষের জীবনযাত্রাকে অচল, বিপন্ন বা বিপর্যস্ত করে যত্রতত্র পশুর হাট বসানো বন্ধে কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।” (সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫)

বলাবাহুল্য, মুসলমানদের প্রয়োজনে মাত্র সপ্তাহব্যাপী স্থাপিত কুরবানির পশুর হাটকে যারা মানুষের জন্য ‘সমস্যা’ হিসেবে প্রচার করে নিঃসন্দেহে তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। কেননা, এসব হাটগুলো এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনে। এমনকি যারা কুরবানি দিতে পারে না তারাও অন্তত অন্য কারো কুরবানির পশু হাটিয়ে নেয়ার সময় স্বজোরে দাম জিজ্ঞাসা করেন- ‘ভাই কতো হলো?’ অর্থাৎ কুরবানির হাটকে কেউ সমস্যা হিসেবে দেখেন না, বরং সবাই এতমিনান লাভ করেন এবং সকলেই বেশি সংখ্যক হাটের প্রয়োজনিয়তা উপলব্ধি করেন। সুতরাং জনগন্ঠসহ যেসকল মিডিয়া পশুর হাট কমানোর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে, তারা দাদাদের নির্ভরযোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব-পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে তাদের এসব অপতৎপরতাকে মেনে কোনো দেশপ্রেমিকের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজন তীব্র প্রতিবাদ। সেই সাথে এসব মিডিয়াগুলোকে চিহ্নিত করে এদের বয়কট করা। কারণ এরা দেশ ও জনগণের শত্রু।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন