২৮) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র কুরবানীকে নিয়ে চক্রান্ত: ‘ফরমালিন’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে এবার গরুর রক্ত পরীক্ষা॥ জনমনে ‘গরু ভীতি’ ছড়ানোর পাঁয়তারা

২৮) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র কুরবানীকে নিয়ে চক্রান্ত: ‘ফরমালিন’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে এবার গরুর রক্ত পরীক্ষা॥ জনমনে ‘গরু ভীতি’ ছড়ানোর পাঁয়তারা

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও গরু কুরবানীকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গেছে গরু কুরবানীতে নিরুৎসাহী করার চক্রান্ত। কয়েকবছর আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোতে শোর উঠে, ‘কুরবানী না করে এই টাকা সিডরে দুর্গতদের দান করুন’। ২০১২ সালের কুরবানীর আগে নতুন গরু কুরবানীতে ভীতি ছড়ানোর চক্রান্তের নাম ছিল ‘অ্যানথ্রাক্স’। ২০১৩ সালে কুরবানীতে বাধা সৃষ্টির কূটকৌশল ছিল- ‘ঈদের তিন দিন আগে কোনো পশুর গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না’ -এমন আদেশ সম্বলিত সরকারি নোটিশ।

এবার ২০১৪ সালের চক্রান্ত আরো জটিল। মুসলমানদের কুরবানী নষ্ট করতে এবারের ঘোষণা হচ্ছে, “প্রাণিসম্পদ অধিদফতর জানিয়েছে, ক্ষতিকর ওষুধ সেবনের মাধ্যমে মোটাতাজা করা গরু কোরবানির হাটে তোলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঈদুল আযহায় প্রতিটি গরুর হাটে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে গরুর রক্ত পরীক্ষা করা হবে। যদি কোনো গরুর রক্তে বিষাক্ত কিছু ধরা পড়ে, তাহলে সেই গরুকে সিল করে গরু বিক্রেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

ঘোষণা শুনে অনেকেই হয়তো ভাববে, সরকার তো ভালো উদ্যোগই নিয়েছে। কিন্তু মূল উদ্দেশ্যটা বুঝতে হলে ‘আমে ফরমালিন’-এর বিষয়টা ফিকির করতে হবে। ফরমালিনের নামে এবার হাজার হাজার কোটি আম ধ্বংস করা হয়েছে সরকারিভাবে। আসলে সবগুলো আমে কি ফরমালিন ছিলো? এছাড়া আম উৎপাদনকারী এবং আম বিক্রেতাদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা কি কেউ হিসেব করেছে? এসব ছাড়াও ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো ‘ফরমালিন’ কথাটা দিয়ে পাবলিকের মাথা যেভাবে গরম রেখেছে তাতে জনে জনে ‘আম’-এর প্রতি ভীতি সঞ্চার হয়েছে। ফলে কোটি কোটি মানুষ কষ্ট করে হলেও এবার সুসাদু মৌসুমি ফল আম থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। ভারতের অনুগত সরকারকে দিয়ে হিন্দুরা এ চক্রান্তে সফলতা পাওয়ার পর এবার কুরবানীতেও একই তত্ত্ব প্রয়োগের চেষ্টা করছে। গরু (হিন্দুদের কথিত মা) যেন মুসলমনরা জবাই না করে সেজন্য গরুর রক্ত পরীক্ষার নামে ‘ফরমালিন পরীক্ষা’র মতোই নতুন ফোবিয়া (ভীতি) ছড়ানো শুরু করেছে। দেশের ৯৭ ভাগ মুসলমানদের হিন্দুদের এ চক্রান্ত থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার যদি হিন্দুদের কথামতো চলে তবে তার ফল সরকারকে ভোগ করতে হবে।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন