২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি) ছড়ানো হয়েছিলো। সেই এ্যানথ্রাক্সের এখন কোন নামগন্ধও পাওয়া যায়না। এরপর শুরু হয়েছে, গরু মোটা তাজাকরণের ইনজেকশন ভীতি। এসব খবর গত বছরও মিডিয়া ব্যপক প্রচার করেছে। এই ট্রিক্সের দ্বারা ষড়যন্ত্রকারীরা তারা দু’ধরণের ফায়দা লুটেছিলো। মানুষের মনে বড় গরুর প্রতি ভীতি ছড়ানো এবং দেশী গরুর খামারগুলোর ব্যবসায় ধস নামানো। এসব ছাড়াও গত বছর কুরবানির পশু বহনকারী গাড়িগুলো ঢাকায় আসতে খুব সমস্যা সৃষ্টি করেছিলো। আবার যেসব গাড়ি ঢাকায় এসে পৌঁছেছে সেসব গাড়ি থেকে গরু নামাতে দেয়া হয়নি অনেক হাটে। অনেক হাটে ঈদের দুইদিন আগে হাটে গরু উঠানোর নোটিশ এসেছিলো। এসব ছাড়াও পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহিত হয়েছিলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় সব গরু কুরবানি করার পরিকল্পনা। কয়েক বছর আগে কুরবানি না করে সে টাকা গবিবদের দান করে দেয়ার জোর প্রচারণাও চালানো হয়েছিলো অনলাইনে।

বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবছরও পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এবার কথিত জনদুর্ভোগের কথা বলে রাজধানির ব্যস্ত স্থানে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট না বসানোর জন্য গত ২৫ জুলাই (২০১৫) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের চিঠি দিয়েছে পুলিশ। (খবর: প্রথম আলো, ২৯ জুলাই, ২০১৫)

প্রকৃতপক্ষে পশুর হাট সরানো হলে কিংবা কোন হাট বন্ধ করে দিলে জনদুর্ভোগ আরো বহুগুণে বাড়বে। মানুষকে দুর দূরান্ত থেকে পশু কিনে আনতে হলে পশু ক্রেতাদের, পথচারীদের ও গাড়ি চলাচলে আরো বেশি বিঘœ ঘটবে। মানুষ দুরদুরান্ত থেকে পশু কিনতে টাকা বেশি খরচ হবে।

বলার অপেক্ষা রাখেনা, এই পশুর হাট সরানোর উদ্যোগটি প্রশাসনের বিষফোঁড়া ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের একটি ষড়যন্ত্র, যা সরকারকেও বেকায়দা ফেলানোর ফন্দি। আর সরকার যদি এসব হিন্দু মালউন, নাস্তিকদের ইসলাম বিরোধী উদ্দ্যেগকে সমর্থন দেয় তবে এর জন্য কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন