৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী মহলের অপতৎপরতায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলো সাধারণ মুসলমানগণ। এবছরও নিরাপত্তা, যানজট, চলাচলে বিঘœসৃষ্টি, পরিবেশ ইত্যাদি অজুহাতে পশুর হাট বন্ধের/স্থানান্তরের এবং যত্রতত্র(!) পশু জবাইয়ের বিরুদ্ধে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত থেকে লেলিয়ে দেয়া সেই একই কুচক্রী মহল। এবার তারা দাবি করছে- যত্রতত্র(!) পশু জবাই করা যাবে না, রাজধানি থেকে পশুর হাট সরিয়ে ঢাকার পাশ্ববর্তী এলাকায় স্থানান্তর করতে হবে। তারা রাজধানিতে সারাবছর লেগে থাকা চিরাচরিত যানজটকেই তারা খোঁড়া যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। একজন স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিও বুঝে যে, পার্শ্ববর্তী এলাকায় পশুর হাট না থাকলে দূরে গিয়ে কুরবানির পশু কিনতে হলে বরং যানজট আরো বাড়বে। কুরবানির পশুকে হাটিয়ে নিয়ে আসতে গেলে পশু অসুস্থ হয়ে পড়বে। রোগা হলে পথেই মারা যেতে পারে। পশু যারা নিয়ে আসবে তাদেরও ঈদের দিন বিছানায় কাটাতে হতে পারে। কয়জন লোকের তিন-চার হাজার টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে কুরবানির পশু আনার সামর্থ্য আছে? এছাড়া লম্বা রাস্তা পাড়ি দিয়ে পশু আনতে গিয়ে ছিনতাইকারীসহ নানা ঝাক্কি-ঝামেলাতো আসতেই পারে।

বিষয়টা উপলব্ধি করতে হলে, ঈদের আগে শপিং সেন্টারের কারণে মানুষের ভীড়, ছিনতাই, স্মরণকালের ভয়াবহ যানজটগুলোর চিত্র স্মরণ করলেও হয়। বাড়ির পাশে মার্কেট রেখে শখের বসে দূরবর্তী শপিংমলে কেনাকাটা করতে গিয়ে সৃষ্টি হয় এসব সমস্যা। সুতরাং আমাদের দাবি: প্রতিটি মহল্লায়-মহল্লায় কুরবানির হাট গড়ে তুলতে হবে। নাগরিকদের যেখানে সুবিধা সেখানেই পশু জবাই করবে -এ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বর্জ্য পরিষ্কার করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। নিরাপত্তা, যানজট নিরসনের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা করবে প্রশাসন। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যই এ দেশের গণমানুষ এ সরকারকে ভোট দিয়েছে। সরকারের ছত্রছায়ায় থাকা ইসলামীবিদ্বেষী কুচক্রী মহলের কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নিবে না। বরং এর জন্য সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা রয়ে যায়। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে সরকারকে সচেতন থাকার পরামর্শ রইলো।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন