৪১) বাংলাদেশে চলছে কোরবানী নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া

৪১) বাংলাদেশে চলছে কোরবানী নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া

রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মিটিং হয়েছে। সেখান থেকে বলে দেওয়া হচ্ছে নির্দ্দিষ্ট স্থানে কোরবানী করতে হবে। শুধু তাই না- কোথায় কতগুলো পশু কোরবানী হবে, পশুগুলো কোথায় রাখা হবে, পশু জবাই কে করবেন কোরবানী শেষে কিভাবে ময়লা পরিষ্কার করা হবে এমনকি মাংস বিতরণ কিভাবে হবে তারও কর্মপরিকল্পনা তৈরী করে দেবে সরকারী কর্মকর্তারা। (http://goo.gl/8LqDLR)

এটা জেনে রাখা দরকার- আন্তর্জাতিক ইসলাম বিদ্বেষী একটি মহল সর্বদা সক্রিয়, যাদের কাজ হচ্ছে কোরবানীর বিরোধীতা করা। এই গ্রুপটি সরকারকে চাপ দিয়ে নানা ধরনের ইসলাম বিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। যেহেতু বাংলাদেশে সরাসরি কোরবানী নিষিদ্ধ করা যাচ্ছে না, তাই এরা সরকারকে বিভিন্ন ধরনের কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে বলে, যার মাধ্যমে মানুষ কোরবানীতে হয়রানি সৃষ্টি করে নিরুৎসাহিত করা যাবে। যেমন-

১) নিদ্দির্ষ্ট স্থানে পশু কোরবনীর সিস্টেম করে মানুষকে হয়রানী করা হবে।
২) ১৮ বছরের নিচে কেউ কোরবানী করতে পারবে না। উদ্দেশ্য কোরবানী মানুষকে সহিংসতা শেখায় এটা বোঝানো।
৩) পশু জবাইকারী নির্দ্দিষ্ট করে হয়রানি সৃষ্টি করা।
৪) মাংশ বিতরণও সরকারী উদ্যোগে করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে । এ

তে সরকার দলীয় লোকজনের বিরাট মাংশ ইনকাম করবে। উল্লেখ্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় এতিম ছাত্রদের জন্য দেওয়া ফ্রি চামড়ার টাকা মেরে খাচ্ছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা। এদিকে, ‘পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন’ নামক একটি সংগঠন বলেছে, “পরিবেশের ক্ষতি হবে এমন জায়গায় হাট বসানোর অনুমতি দেয়া যাবে না।” (http://goo.gl/AmWbwv)

অর্থাৎ হাটেও সীমাবদ্ধতা আনার জন্য ইসলাম বিদ্বেষী মহল উঠে পড়ে গেলেছে । জানা গেছে, সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে হাটের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরো করছে সরকার। যেমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এক সময়কার বিশাল হাট (অন্নদা বোর্ডিং মাঠ) বন্ধ করে দিয়েছে। এর বদলে ছোট পরিসরে ট্যাংকের মাঠে কোরবানীর হাট করতে বলেছে। অথচ ঐ মাঠটিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ নানান কৌশলে কোরবানীতে বিধি নিষেধ আরোপ করছে ইসলাম বিদ্বেষী মহল ও প্রশাসন। বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোর উচিত পশুর হাট বন্ধ, জবাইয়ের স্থান ও জবাইকারীর বয়স নির্দ্দিষ্টকরণ ইত্যাদি উপায়ে কোরবানীতে হয়রানির সৃষ্টির বিরুদ্ধে তী্ব্র প্রতিবাদ করা। এখনই যদি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ না করা হয়, তবে শিঘ্রই বাংলাদেশে ভারতের অনুরূণ গরু জবাই নিষিদ্ধ হতে বেশি সময় লাগবে না।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন