৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন। যেমন- ২০১৩ সালের একটি সমীক্ষা নিয়ে পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ওই বছর ১ কোটি পশু কুরবানি হয়েছে যা টাকার অঙ্কে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর থেকে কুরবানির ঈদ আসার পূর্ব পর্যন্ত বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার রেমিটেন্স এসেছে ১৫২ কোটি ডলার। দেশের চামড়া শিল্প টিকে থাকে এই কুরবানির উপর। ২০১৩ সালে চামড়া ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২ হাজার কোটি টাকার চামড়া রপ্তানি করার। এ সম্পর্কে যুগান্তর পত্রিকায় (২০ অক্টোবর ২০১৩) সংবাদ এসেছিলো যে, চামড়া রফতানির আয় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এসব ছাড়াও কুরবানিকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠে। যেমন- গোশত সংরক্ষণের জন্য ফ্রীজের প্রচুর চাহিদা সৃষ্টি হয়; ছুড়ি, দা, চাপাতিসহ লৌজাত দ্রব্যের কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয়; মশলাজাত দ্রব্য ও লবণের ব্যবসা চাঙ্গা হয়, ভোগ্যপণ্য সামগ্রীর ব্যবসাও জমজমাট হয়ে উঠে।

অর্থনিতিবিদরা বলছেন, গত পাঁচ বছরে গড়ে ৬ শতাংশের উপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং ক্রয় ক্ষমতা বাড়ার পেছনে রেমিটেন্স, রফতানি আয় ও রিজার্ভ বিশেষ অবদান রেখেছে। আর রেমিটেন্স সবচেয়ে বেশি আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও কুরবানির ঈদে। এছাড়া রফতানিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চামড়া শিল্প। কুরবানির উপর ভর করে টিকে আছে দেশের সম্ভাবনাময় এ রফতানি খাতটি। (তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৫ অক্টোবর ২০১৩ ঈসায়ী)

মোদ্দাকথা, কুরবানি অত্যন্ত বরকতময় এবং পবিত্র, যার সাথে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সস্তুষ্টি জড়িত। সেই কুরবানি যথাযথভাবে পালন করলে যেমন লাভ, তদ্রƒপ ষড়যন্ত্র করলে ক্ষতির অঙ্কটাও তার চেয়ে বেশি হবে। সুতরাং পবিত্র কুরবানি নিয়ে যেসব মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারা শুধু দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানের শত্রু নয়, বরং তারা দেশ ও জাতির শত্রু। সরকারের উচিত এসব কুচক্রীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে দেয়া।

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন