৫) পবিত্র কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট রপ্তানি করেও দেশ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে

৫) পবিত্র কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্ট রপ্তানি করেও দেশ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে

আমরা অনেকেই জানি না পশুর উচ্ছিষ্ট কী এবং এসব উচ্ছিষ্ট কী কী কাজে লাগে। মূলত, পশুর উচ্ছিষ্ট হলো গরুর চামড়া, হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, মূত্রথলি, রক্ত, চর্বি, পিত্ত ইত্যাদি। জবাইয়ের পর একটি মাঝারি আকারের গরু থেকে ১৫ থেকে ২০ কেজি হাড় ফেলে দেয়া হয়। আর এই হাড় সংগ্রহ করে প্রতিদিন ব্যবসা হয় অন্ততঃ ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নাড়িভুঁড়ি বিক্রি হয় আরো অন্ততঃ ১২ লাখ টাকার। এসব তথ্য উচ্ছিষ্ট ব্যবসায়ীদের।

আর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য হচ্ছে, রাজধানিতে প্রতিদিন জবাইকৃত পশুর এসব উচ্ছিষ্ট বিক্রি হয় অন্ততঃ ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকায়। আর এক কুরবানির ঈদে যে পরিমাণ পশু কুরবানি হয় তার উচ্ছিষ্ট বিক্রি করে হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।”

বাংলাদেশ গোশত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘এসব উচ্ছিষ্টের শতভাগ রপ্তানিযোগ্য। সাধারণ মানুষ এসব উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে সচেতন না থাকার কারণে শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে দেশ বঞ্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশ হারাচ্ছে রপ্তানি বাজার।’

উল্লেখ্য, গরুর হাঁড় দিয়ে তৈরি হয় জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ক্যাপসুলের কাভার, গরুর নাড়ি দিয়ে অপারেশনের সুতা, রক্ত দিয়ে পাখির খাদ্য, চর্বি দিয়ে সাবান, পায়ের খুর দিয়ে অডিও ভিডিওর ক্লিপ, ইত্যাদি। এভাবে পশুর সব অংশই মানুষের কোনো না কোনো কাজে ব্যবহৃত হয়। (তথ্যসূত্র: অর্থসূচক, ৭/১০/১৪ঈ)

বলার অপেক্ষা রাখে না, কুরবানির পশুর উচ্ছিষ্টও যদি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে তাহলে বুঝতে হবে পবিত্র কুরবানি শুধু মুসলমানদের ঈদ উৎসবই নয়, বরং গোটা দেশ ও জাতির জন্য রহমতস্বরূপ। সুবহানাল্লাহ!

সার্চ করুন

সর্বশেষ পোস্ট

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



১) সাবধান! গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো

মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার প্রতি হিন্দুদের যারপরনাই বিদ্বেষ। গরু জবাই, গরুর গোশত রাখা ও খাওয়া এসবের প্রতি ভীতি ছড়ানো হিন্দুদের জাতিগত এজেন্ডা। এসব এজেন্ডা জোরপূর্বক

বিস্তারিত পড়ুন

২) পবিত্র কুরবানি নিয়ে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবেনা

প্রতি বছর পবিত্র কুরবানির সময় শুরু হয় নানা ধরণের ষড়যন্ত্র। ইতিপূর্বে পবিত্র কুরবানির আগে গরুর মধ্যে ‘এ্যানথ্রাক্স’ ভাইরাসের নামে এক ধরণের ফোবিয়া (কুরবানির পশু ভীতি)

বিস্তারিত পড়ুন

৩) পবিত্র কুরবানি ‘ব্যবস্থাপনা’র নামে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করলে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে

বাংলাদেশে গরু জবাই নিয়ে বিশেষ করে পবিত্র কুরবানি ঈদের সময় ষড়যন্ত্র নতুন কোনো বিষয় না। ষড়যন্ত্র বিগত বছরগুলোতে পবিত্র কুরবানি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে কুচক্রী

বিস্তারিত পড়ুন

৪) যে পবিত্র কুরবানির উসীলায় চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি

এক কুরবানির ঈদের বরকতে চাঙ্গা হয়ে উঠে গোটা দেশের অর্থনিতি। হবে না কেন? এর সাথে জড়িত রয়েছে হাজার হাজার ব্যবসা আর হাজার হাজার টাকার লেনদেন।

বিস্তারিত পড়ুন