৪৮) কোরবানীর রক্তের উপকারিতা

৪৮) কোরবানীর রক্তের উপকারিতা

এবার বৃষ্টির মধ্যে কোরবানী হওয়ায় রাস্তার জমে থাকা পানি রক্ত লাল বর্ণ ধারণ করেছিলো । এই পানির রঙ নিয়ে, অনেকে কোরবানীর বিরুদ্ধেও অনেক কথা বলেছে। বলেছে- এই পানি নাকি দূষিত আর রোগব্যাধী ছড়াবে। যারা এ ধরনের কথা বলেছে- তারা বোধহয় জানে না (কিংবা জেনেও না জানার ভান ধরেছে) ঢাকা শহরের অনেক এলাকাতেই সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিবদ্ধতা হয় এবং তথন ড্রেন এর পানি (যেখানে মনুষ্য বর্জ্য থাকে) এবং বৃষ্টির পানি এক হয়ে নতুন তরল তৈরী করে, যা পাড়িয়ে দিনের পর দিন ঢাকাবাসী অভ্যস্থ হয়ে গেছে। ঐ পানি এতটাই দূষিত, যেখানে সামান্য একটু রক্তলাল বর্ষ আভা হলে নতুন কোন দূষণের কারণ হবে বলে মনে হয়। তবে সাধারণত এই রক্তলাল পানি দুটি স্থানে মিশতে পারে-

১) পানি (এলাকার পুকুর বা বুড়িগঙ্গা নদী)
২) মাটি পানিতে যদি এই রক্ত পরে তবে অবশ্যই তা মাছের জন্য উপরকারি।

মৎস্য খাদ্যের পুষ্টিবিদদের মতে- \\\\………পশুর রক্তের কঠিন অংশ (বাকি অংশ পানি) একটি উৎকৃষ্ট মানের প্রোটিনের উৎস। মাছের খাদ্য উৎপাদনে প্রাণিজ প্রোটিনের উপকরণের উৎস হিসেবে যে সকল দ্রব্য ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে সবচেয়ে উন্নতমানের উপকরণ হল এই পশুর রক্ত। এর থেকে কেবল আমিষই (এতে ৭০-৮০% আমিষ থাকে) পাওয়া যায় না বরং এতে উন্নতমানের বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন থাকে। মাছ প্রতিপালনে ক্ষেত্রে ৎস্য বীজ উৎপাদন খামারসমূহে মাছের অন্যান্য খাদ্য উপকরণের সাথে পশুর রক্ত মিশিয়ে খাওয়ানো হয়ে আসছে অনেক আগে থেকেই। পশুর রক্তের উত্তম পুষ্টি উপাদানের কারণে মাছেকে রক্ত মিশ্রিত খাদ্য খাওয়ালে মাছের ডিম পুষ্ট বা পরিপক্ক হতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ডিম উত্তমভাবে পরিপুষ্ট হবার কারণে মাছের রেণু সবল হয় এবং সহজে রোগাক্রান্ত হয় না। এ ছাড়াও মাছের রেণুর জীবিত থাকার হার এবং পোনা মাছের বর্ধন হারও বেশি হয়ে থাকে। সাধারণ মাছ চাষে মৎস্য চূর্ণ (Fish Mill) অথবা Meat & Bone Mill A_ev Fish Protein Concentrate এর পরিবর্তে পশুর রক্ত ব্যবহার করলে তাতে মাছের খাদ্য উৎপাদনে খরচ অনেক কম পড়বে।……….\\\\\\ (https://goo.gl/BKCCG7)

আর যদি রক্ত মাটিতে মিশ্রিত হয়, তবে তাতেও সমস্যা নাই। কারণ রক্ত মাটির উর্বরতা অসম্ভব বৃদ্ধি করে। অনেক দেশেরই গরুর রক্ত মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির কাজে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। (https://goo.gl/aYmda9)

কোরবানীর রক্ত যদি মাটি ও পানির জন্য এত উপকারি হয়, তবে এগুলো নিয়ে এত অপপ্রচার কোন কারণ দেখি না।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন