প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র কুরবানীকে নিয়ে চক্রান্ত: ‘ফরমালিন’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে এবার গরুর রক্ত পরীক্ষা॥ জনমনে ‘গরু ভীতি’ ছড়ানোর পাঁয়তারা

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র কুরবানীকে নিয়ে চক্রান্ত: ‘ফরমালিন’ তত্ত্ব প্রয়োগ করে এবার গরুর রক্ত পরীক্ষা॥ জনমনে ‘গরু ভীতি’ ছড়ানোর পাঁয়তারা

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও গরু কুরবানীকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গেছে গরু কুরবানীতে নিরুৎসাহী করার চক্রান্ত। কয়েকবছর আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোতে শোর উঠে, ‘কুরবানী না করে এই টাকা সিডরে দুর্গতদের দান করুন’। ২০১২ সালের কুরবানীর আগে নতুন গরু কুরবানীতে ভীতি ছড়ানোর চক্রান্তের নাম ছিল ‘অ্যানথ্রাক্স’। ২০১৩ সালে কুরবানীতে বাধা সৃষ্টির কূটকৌশল ছিল- ‘ঈদের তিন দিন আগে কোনো পশুর গাড়ি ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না’ -এমন আদেশ সম্বলিত সরকারি নোটিশ।

এবার ২০১৪ সালের চক্রান্ত আরো জটিল। মুসলমানদের কুরবানী নষ্ট করতে এবারের ঘোষণা হচ্ছে, “প্রাণিসম্পদ অধিদফতর জানিয়েছে, ক্ষতিকর ওষুধ সেবনের মাধ্যমে মোটাতাজা করা গরু কোরবানির হাটে তোলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঈদুল আযহায় প্রতিটি গরুর হাটে চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে গরুর রক্ত পরীক্ষা করা হবে। যদি কোনো গরুর রক্তে বিষাক্ত কিছু ধরা পড়ে, তাহলে সেই গরুকে সিল করে গরু বিক্রেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

ঘোষণা শুনে অনেকেই হয়তো ভাববে, সরকার তো ভালো উদ্যোগই নিয়েছে। কিন্তু মূল উদ্দেশ্যটা বুঝতে হলে ‘আমে ফরমালিন’-এর বিষয়টা ফিকির করতে হবে। ফরমালিনের নামে এবার হাজার হাজার কোটি আম ধ্বংস করা হয়েছে সরকারিভাবে। আসলে সবগুলো আমে কি ফরমালিন ছিলো? এছাড়া আম উৎপাদনকারী এবং আম বিক্রেতাদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা কি কেউ হিসেব করেছে? এসব ছাড়াও ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলো ‘ফরমালিন’ কথাটা দিয়ে পাবলিকের মাথা যেভাবে গরম রেখেছে তাতে জনে জনে ‘আম’-এর প্রতি ভীতি সঞ্চার হয়েছে। ফলে কোটি কোটি মানুষ কষ্ট করে হলেও এবার সুসাদু মৌসুমি ফল আম থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। ভারতের অনুগত সরকারকে দিয়ে হিন্দুরা এ চক্রান্তে সফলতা পাওয়ার পর এবার কুরবানীতেও একই তত্ত্ব প্রয়োগের চেষ্টা করছে। গরু (হিন্দুদের কথিত মা) যেন মুসলমনরা জবাই না করে সেজন্য গরুর রক্ত পরীক্ষার নামে ‘ফরমালিন পরীক্ষা’র মতোই নতুন ফোবিয়া (ভীতি) ছড়ানো শুরু করেছে। দেশের ৯৭ ভাগ মুসলমানদের হিন্দুদের এ চক্রান্ত থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার যদি হিন্দুদের কথামতো চলে তবে তার ফল সরকারকে ভোগ করতে হবে।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন