কুরবানীর চামড়া দান প্রসঙ্গে: না-হক্ব কখনো হক্বদার হতে পারে না

কুরবানীর চামড়া দান প্রসঙ্গে: না-হক্ব কখনো হক্বদার হতে পারে না

না-হক্ব তথা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভূক্ত কথিত ইসলামী দলগুলো কোন দান ছদকা, যাকাত, পবিত্র কুরবানীর চামড়া বা তার মূল্য পাওয়ার হক্বদার হতে পারেনা। কেননা, তারা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান নিয়ে চু-চেরা কিলকাল করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তাদের প্রতি লা’নত বর্ষন করেছেন; যার ফলে তাদের কুফরী আক্বিদার কারণে বাতিল তথা জাহান্নামী হয়ে গেছে। তাদের কিছু কুফরী আক্বিদা হচ্ছে এমন যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের মতো সাধারণ মানুষ, তিনি মাটির তৈরী, তিনি হাজির নাজির নন, তিনি ইলমে গইব জানেন না, তিনি মরে পঁচে মাটির সাথে মিশে গেছেন। নাউযুবিল্লাহ! তাদের আরো কুফরী আক্বিদা হচ্ছে- মিলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ বিদয়াত, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদয়াত, পবিত্র শবে বরাত পালন করা বিদয়াত ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ!

এসমস্ত আলেম নামধারী জাহান্নামীরা পবিত্র কুরবানীর ঈদে পশু জবাই করতে ও চামড়া সংগ্রহ করতে ঈদের নামায না পড়েই ছুরি নিয়ে বের হয়ে পড়ে। অনেকে পশুর চামড়া দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতারণা মূলক কথার ফাঁদে পড়ে চামড়া দিয়ে দেয়। তারা বুঝিয়ে থাকে যে, ‘এলাকার মাদরাসা হিসেবে আমরাই আপনার পশু জবাই করার হক্বদার, পশুর চামড়া পাওয়ার হক্বদার। আমাদেরকেই দিতে হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! তাদের এরূপ বক্তব্য ছলচাতুরি, মিথ্যা ও ধোকা ছাড়া আর কিছুই নয়। এরা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কারণে এদেরকে দিলে মূলত আল্লাহ পাক অশন্তুষ্ট হবেন এবং দানকারীর দান কবুল করবেননা। সূতরাং নাহক্ব বাতিল জাহান্নামীদের কোন হক্ব নেই। হক্বদার কেবল আহলু সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বিদা যারা পোষণ করেন এবং আমল করেন সেসকল হক্কানী রব্বানী আল্লাহ ওয়ালাগণ উনারাই।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন