গ্রীষ্ম কালীন সময়ে আম কাঠালের ছুটি যদি ১০ দিন হয় তবে কুরবানীর ঈদে গোস্তের ছুটি কেন ১২ দিন হবে না?

গ্রীষ্ম কালীন সময়ে আম কাঠালের ছুটি যদি ১০ দিন হয় তবে কুরবানীর ঈদে গোস্তের ছুটি কেন ১২ দিন হবে না?

আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালীন, শরৎকালীন, বর্ষাকালীন ইত্যাদি বিভিন্ন মৌসুমে ছুটি দেওয়ার রেওযাজ আছে। সংবিধানে এমন ছুটি বাধ্যবাধকতা না থাকলেও বেশ কিছুদিনের জন্য এসব ছুটি দেয়া হয়। যেমন গ্রীষ্মকালীন সময়ে আম কাঠালের ছুটি দেয়া হয় এবং বলা হয়ে থাকে যে আম কাঠাল খাওয়ার জন্য ছুটি দেয়া হল। যদিও চড়া মূল্যের জন্য অনেকে আম কাঠাল কিনে খেতেও পারেনা। তবুও এ ছুটির মেয়াদ হয় সাধারণত ৭-১০ দিন। তাহলে আম কাঠাল খাওয়ার জন্য যদি ১০ দিন ছুটি দেয়া হয় তবে কুরবানীর ঈদে গোস্ত খাওয়ার জন্য কমপক্ষে ১০ দিন ছুটি দেয়া উচিত। কেননা আম কাঠাল শুধু বড়লোক আর মধ্যবিত্তদের জন্য হলেও কুরবানীর গোস্ত কিন্তু ধনী গরীব সকলে মিলে সমান ভাগে বন্টন করে খাওয়া হয়। তাই কুরবানীর পশু কেনার আগে ও পরে পর্যাপ্ত সময়ের প্রয়োজন। যেখানে আম কাঠাল কিনতেও তেমন লাগেনা, খেতেও তেমন সময়ের প্রয়োজন হয়না। অতএব, আম কাঠালের ছুটি ১০ দিন হলে কুরবানীর ঈদের ছুটি কমপক্ষে ১২ দিন দেয়া উচিত।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন