পশুর হাট নিয়ে দুই মেয়রের কাছে পুলিশের চিঠি ষড়যন্ত্রমূলক

পশুর হাট নিয়ে দুই মেয়রের কাছে পুলিশের চিঠি ষড়যন্ত্রমূলক

কথিত জনদুর্ভোগের কথা বলে রাজধানির ব্যস্ত স্থানে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট না বসানোর জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারের পক্ষ থেকে গত ২৫ জুলাই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের চিঠি দিয়া হয়েছে। রাজধানির পাঁচটি বড় হাটকে নির্ধারিত স্থানের বদলে অন্যত্র স্থানান্তরের পরামর্শও দিয়েছে পুলিশ। ঢাকার পাঁচটি স্থানের পশুর হাট সরানোর যুক্তি হিসেবে চিঠিতে বলা হয়েছে- রাজধানি জুড়ে যানজট, কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা, মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত, মুমুর্ষরোগী ও চিকিৎসকেরা হাসপাতালে যেতে পারেনা ইত্যাদি। (খবর: প্রথম আলো, ২৯ জুলাই, ২০১৫)

এসব যুক্তি দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে এই চিঠি মুসলমানদের পবিত্র কুরবানিতে সমস্যা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই না। প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানির সময় পশুর জবাই, হাট বসানো ইত্যাদি নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়ে আসছে। এবারও সেই ষড়যন্ত্র শুরুর আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কেননা, চিঠিতে পশুর হাট সরানোর যেসব যুক্তি দেয়া হয়েছে, তার সবই অবান্তর যুক্তি। রাজধানিজুড়ে যানজট এটা নিত্য দিনের ঘটনা, সারা বছরই থাকে। রাজধানিতে এমন বহু সড়ক, ফুটপাথ, এলাকা আছে যা চলাচলের অযোগ্য, যেখানে সারাবছরই মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হয়। বিশেষ করে রাজধানিজুড়ে যে ফ্লাইওভার নির্মানযজ্ঞ চলছে তাতে বছরের পর বছর মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় সবজায়গায় মানুষের চলাচলে দুর্ভোগের খবর প্রতিদিনই পত্রিকান্তরে দেখা যায়।

এরপরে বারিধারা জে ব্লকে হাট স্থানান্তরে যুক্তি হিসেবে কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তার কথা বলা হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশের পক্ষ থেকে এমন যুক্তি পুলিশের জন্য লজ্জাজনক। কেননা, এতে ছোট্ট একটি এলাকার নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের দুর্বলতা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। এরপর বলা হচ্ছে, মুমুর্ষরোগী ও চিকিৎসকদের চলাফেরার কথা- এটাও একটা অবান্তর যুক্তি। যানজটে প্রতিদিনই বহু রোগী-চিকিৎসকদের হাসপাতালে যাতায়াতে ভোগান্তি হচ্ছে। কিন্তু বছর জুড়ে রোগীদের এসব ভোগান্তির জন্য পুলিশের কোন মমত্ববোধ দেখা যায়না। সুতরাং পবিত্র কুরবানি নিয়ে হিন্দুদের এসব ষড়যন্ত্র কখনোই বরদাশত করবেনা এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমান। বরং এসব দুষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সরকার জনগণের রোষাণলে পড়তে হবে।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন