প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে হিন্দুদের তাবেদার নন সেটা প্রমাণ করার উপযুক্ত সময় আসন্ন কুরবানীর ঈদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে হিন্দুদের তাবেদার নন সেটা প্রমাণ করার উপযুক্ত সময় আসন্ন কুরবানীর ঈদ

কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া হিন্দু ধর্মের কল্পিত উৎসব (যা তাদের ধর্মীয় উৎসব নয় কথিত সারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে যে সমস্ত কার্যক্রম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সম্পন্ন হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল। প্রধানমন্ত্রীর নিজ ধর্মের জন্যেও এতটা উদারতার পরিচয় কখনো দেখা যায়নি। এদেশের জনসাধারণ সন্দিহান হয়ে পড়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী কি তবে মনে মনে হিন্দু ধর্মকে সমর্থন করেন?

নাকি ভারতের তাবেদারী করতে গিয়ে এতটা করেছেন। যাই হোক না কেন, প্রধানমন্ত্রীর যদি ইসলাম ধর্মের প্রতি সহানুভুতি ও উদারতা থাকে তবে তার উচিত হবে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে কমপক্ষে অফিসিয়াল ছুটি ১০দিন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ২০দিন ঘোষনা করা। কেননা, কুরবানীকে সামনে রেখে অনেক প্রস্তুতির ব্যাপার রয়েছে যা কিনা সময়ের প্রয়োজন। এবং কুরবানীর পরেও গরীব দুঃখী আত্বীয়দের মাঝে গোস্ত বন্টন, সংরক্ষন এবং বিশ্রাম এর জন্যও পর্যাপ্ত সময়ের প্রয়োজন। তাই প্রধানমন্ত্রীর উচিত আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কর্মচারী-কর্মকর্তাদের জন্য কমপক্ষে ১০দিন এবং স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপক্ষে ২০দিন ছুটি কার্যকর করা। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা চলছে। সরকারের উচিত এ পরীক্ষা বিরতী ঘোষনা করে ঈদের পর থেকে শুরু করা। তবেই এ সরকার দেশের ৯৬ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর আস্থাভাজন হতে পারে।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন