‘কুরবানি’ই ইসলামবিদ্বেষী মহলের মূল সমস্যা; তাদের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখের কারণে বা পূজার কারণে এমনকি সারাবছর লেগে থাকা যানজটও কোনো সমস্যা নয়!

‘কুরবানি’ই ইসলামবিদ্বেষী মহলের মূল সমস্যা; তাদের দৃষ্টিতে পহেলা বৈশাখের কারণে বা পূজার কারণে এমনকি সারাবছর লেগে থাকা যানজটও কোনো সমস্যা নয়!

যানজট ও মানুষের চলাচলে সমস্যার বিভ্রান্তিকর অজুহাত দেখিয়ে রাজধানিতে পবিত্র কুরবানির পশুর হাট কমানোর পক্ষে জোর প্রচারণা চালাচ্ছে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল ও মিডিয়া। যদিও পশুর হাট ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনে। বরং পর্যাপ্ত বা নিকটস্থ এলাকায় পশুর হাট না থাকলে এই জনগণেরই ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই অতিব প্রয়োজনিয় হাটকে বাঁকা চোখের লোকগুলো ‘সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রচার করছে। আসলে এটি সমস্যা হতে পারে কেবল কুরবানিবিদ্বেষী মহলের জন্যই। যেহেতু এটা ‘কুরবানি’।

বলাবাহুল্য, যখন পহেলা বৈশাখের কারণে ঢাকার বড় বড় হাসপাতালগুলোর (ঢামেক, পিজি, বারডেম) গেট বন্ধ হয়ে যায় তখন এসব যানজট সচেতন(!) মহলগুলোর কোথায় থাকে। যখন হিন্দুদের দুর্গাপূজা-জন্মাষ্টমী-রথযাত্রার হিন্দুরা ঢাকা শহরে যানজট বাঁধিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য মিছিল করে তার আগে এসব মহলের যানজট অনুভূতি কোথায় থাকে? রাজনৈতিক দলগুলো যখন সারা বছর তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে রাস্তা আটকে মিটিং-মিছিল করে, তখন তাদের জনদুর্ভোগের কথা কোথায় থাকে? শাহবাগ আন্দোলনের নামে যখন ৩-৪ মাসব্যাপী লাখ লাখ মানুষের ভোগান্তি হয়েছিলো, হাসপাতালের রাস্তা বন্ধ হয়ে থাকায় হাজার হাজার রোগীর কষ্ট-যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছিলো, তখন এরা কোথায় ছিলো? মূল বিষয়টা হচ্ছে, হাট নিয়ে এসব চুলকানির উৎস যানজট নয়, বরং যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্যদের দেয়া খুদ-কুড়া খেয়ে দালালি করাই হচ্ছে মূল কারণ।

সুতরাং বামপন্থী নাস্তিকদের কুরবানির হাট বিরোধী অপপ্রচারের বিপরীতে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রয়োজন উপলব্ধি করে মুসলমানদের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের উচিত হচ্ছে প্রত্যেক এলাকায় এলাকায় মহল্লায় মহল্লায় পশুর হাটের লাইসেন্স দেয়া। যেন মানুষ নিজ এলাকা থেকেই কুরবানির পশু কিনতে পারে। বরং এতে যানজট না হওয়ার নিশ্চয়তা আছে। আর যদি সরকার আবেদনকারীদের হাট বসানোর লাইসেন্স না দেয়, তবে আবেদনকারীদের উচিত এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে মিলে মিশে কাজটি সেরে ফেলা।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন