পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র করে ঠাট্টা বিদ্র”প করা মিডিয়ার ষড়যন্ত্র

পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র করে ঠাট্টা বিদ্র”প করা মিডিয়ার ষড়যন্ত্র

মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ্র নিদর্শনসমূহ লঙ্ঘন করো না, আর পবিত্র মাসেরও না, আর কুরবানীর পশুদেরও না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২)

এ আয়াত শরীফে স্পষ্ট করে মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দশনসমূহ লঙ্ঘন বা অবমাননা করতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং ঐ নিদর্শনের উদাহরণ দিতে গিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর কথাও সরাসরি এসেছে এবং সতর্কতা উচ্চারণ করা হয়েছে যেন উক্ত পশুর অবমাননা বা অবজ্ঞা না হয় করা।

অথচ দেখা যায়, পবিত্র কুরবানী ঈদ আসলেই কুরবানীর পশু ঠাট্টা-বিদ্র”প করার একটা উপাদেয় বস্তুতে পরিনত হয়। বরাবরের মতো এবারের ঈদেও পবিত্র কুরবানী পশু নিয়ে ব্যাঙ্গ চিত্র প্রকাশ করেছে অনেক গণমাধ্যম ও কিছু মোবাইল কোম্পানি; যেন সম্মানিত ও পবিত্র কুরবানীর বিষয়টি হাস্যরসে পরিণত হয়। এছাড়া প্রথম আলোসহ প্রত্যেক পত্রিকা ও তাদের ম্যাগাজিনগুলো কোরবানী পশু নিয়ে নানান কৌতুক ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন ছেপেছে। টিভিতেও অনেক হাসি-ঠাট্টা তামাসা করা হয়েছে কুরবানীর পশুকে নিয়ে। নাউযুবিল্লাহ!

অথচ, এ পশু কুরবানী হচ্ছে নিজ পুত্র সন্তানের বদলে কুরবানী। কেউ যদি তার পুত্র সন্তানকে কুরবানী দিতে নিয়ে যেতো তবে কি তার পুত্রের সাথে হাসি-ঠাট্টা তামাসা করতো? নিশ্চয় করতোনা। মিডিয়ার চুলকানি কেবল মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি নিয়ে অথচ হিন্দুরা যখন তাদের কথিত দেবীর মূর্তী বিসর্জন দিতে যায় তখন কিন্তু কোনো মিডিয়া বা কোনো ম্যাগাজিনে এটা নিয়ে হাস্যরস কিংবা কৌতুক রচিত হয় না, এটা নিয়ে কার্টুন অংকিত হয়না, কেউ সেলফি তুলে প্রকাশ করেনা। তাহলে পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে কেন এতো ঠাট্টা বিদ্রুপ?

আসলে কুরবানী’র মত একটি ভাব-গাম্ভীর্যপূর্ণ ধর্মীয় ইবাদত নিয়ে আগে কখনই ঠাট্টা-ফাজলামি হতো না। কিন্তু কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এ শয়তানিটা অতি কৌশলে মুসলমানদের মধ্যে চালু করে দিয়েছে। আর জ্ঞানশূণ্য মুসলমানও সেই ফাঁদে পা দিয়েছে। এসব গুণাহর কাজ করে মুসলমানদের ঈমান বরবাদ ও কুরবানী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কাজেই এবার যারা এসব করেছে তাদের উচিত বেশি করে তওবা ইস্তেগফার করা ও সামনের বছর নিজে বিরত থেকে সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন করে দেয়া।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন