পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে

পবিত্র কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে

পবিত্র কুরবানি মুসলমানদের ঈমানের সাথে অর্থাৎ মুসলমানিত্বের সাথে সম্পৃক্ত, যা গোটা দেশের জন্য শুধু বরকতের কারণই নয়; বরং অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক সমৃদ্ধির কারণ। এই বরকতময় কুরবানিতে যেন মুসলমানগণ বাধাগ্রস্ত হয়, কুরবানির সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে কমে আসে, কুরবানিতে যেন বিশৃংঙ্খল সৃষ্টি হয় এবং এ অজুহাতে কুরবানি যাতে বন্ধ করে দেয়া যায় এজন্য বছরের পর বছর কুরবানি নিয়ে ষড়যন্ত্র করে আসছে কিছু ইসলামবিদ্বেষী মহল।

এবছর দেখা যাচ্ছে, নানা অজুহাতে রাজধানিতে কুরবানির পশুর হাট কমিয়ে দিতে চাচ্ছে। পশু জবাইয়ের জন্য স্পট নির্ধারিত করে দিচ্ছে। অ্যানথ্রাক্স, মোটাতাজাকরণ ইনজেকশন ইত্যাদি অপপ্রচার করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র বন্ধ না করতে পারলে তা শুধু সরকারের ব্যর্থতাই প্রমাণিত হবে না; বরং এটাও স্পষ্ট হবে যে এসব ষড়যন্ত্রে সরকারও সহযোগী।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন