৭২) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’

৭২) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না; বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।’ পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। অতএব, সকলের জন্যই ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হক্কানী-রব্বানী মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে সবক্ব আদায় করার সাথে সাথে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার মাধ্যমে ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করে ইখলাছ বা তাক্বওয়া মুবারক হাছিল করা। যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দীকে উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্র কুরবানী করার জন্য সরাসরি নির্দেশ মুবারক প্রদান করেছেন। যেমন- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনার মহান রব তায়ালা উনার (সন্তুষ্টি মুবারকের) জন্য পবিত্র নামায আদায় করুন এবং পবিত্র কুরবানী করুন।” আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা খুশি মনে ইখলাছ বা আন্তরিকতার সাথে পবিত্র কুরবানী করো।” মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার পশুর গোশত, রক্ত পৌঁছে না, বরং তোমাদের তাক্বওয়া পৌঁছে থাকে।” সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা বাইয়্যিনাহ শরীফ’ উনার ৫ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তাদেরকে (ঈমানদারদেরকে) শুধু এ নির্দেশ মুবারকই দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন খালিছভাবে অর্থাৎ ইখলাছ মুবারক উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করে।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই সমস্ত আমল কবুল করবেন না; যা ইখলাছ মুবারক উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্য করা হয় না।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের আকৃতি বা ধন-সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করেন না, বরং তিনি তোমাদের নিয়ত ও অন্তরের (ইখলাছের) দিকে লক্ষ্য করেন।” মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা পশুর কোনো কিছুই গ্রহণ করেন না। উনারা দেখেন- কে উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য উনাদের নির্দেশ মুবারক মুতাবিক পবিত্র কুরবানী করলো। আর কে গাইরুল্লাহর জন্য নিজের খেয়াল-খুশি মতো পবিত্র কুরবানী করলো। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাক্বওয়া বা ইখলাছ ব্যতীত পাহাড়সম আমলও কোনো উপকারে আসবে না। তাই তাক্বওয়া বা ইখলাছ অর্জন করা ফরয। অতএব, সকলের জন্যই ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, হক্কানী-রব্বানী মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে সবক্ব আদায় করার সাথে সাথে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার মাধ্যমে ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করে ইখলাছ বা তাক্বওয়া মুবারক হাছিল করা। আর হক্কানী-রব্বানী শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা ব্যতীত ইছলাছ বা তাক্বওয়া হাছিল করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত, যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী।” অর্থাৎ যিনি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার অধিক অনুসরণকারী। সুবহানাল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। অতএব, সকলের জন্যই ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, হক্কানী-রব্বানী মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে সবক্ব আদায় করার সাথে সাথে ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার মাধ্যমে ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করে ইখলাছ বা তাক্বওয়া মুবারক হাছিল করা। আর হক্কানী-রব্বানী শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা ব্যতীত ইছলাছ বা তাক্বওয়া হাছিল করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়।

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন