৬৯) জাল্লালা প্রাণী দ্বারা কুরবানী করা নাজায়িয।

৬৯) জাল্লালা প্রাণী দ্বারা কুরবানী করা নাজায়িয।

জাল্লালা প্রাণী দিয়ে কুরবানী করা জায়িয নেই। জাল্লালা প্রাণী বলে ওই প্রাণীকে, যে প্রাণী সদা-সর্বদা মল খেয়ে জীবন ধারণ করে, যার কারণে ঐ সমস্ত পশুর গোশতে দুর্গন্ধ পয়দা হয়। আর যে সমস্ত পশু প্রায় প্রায় মল বা নাজাসাত খেয়ে থাকে, সে সমস্ত পশু দিয়ে কুরবানী করা সম্পর্কে ইখতিয়ার রয়েছে। তবে যারা জায়িয বলেছেন, তারা বলেছেন- উট হলে ৪০ দিন, গরু হলে ২০ দিন, ছাগল হলে ১০ দিন, মোরগ হলে ৩ দিন, চড়ুই পাখি হলে ১ দিন বেঁধে রেখে ভাল খাদ্য দিয়ে তার গোশতের দুর্গন্ধ দূরীভূত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পর যবেহ করা জায়িয ও তা দ্বারা কুরবানী আদায় করা জায়িয। (সমূহ ফিক্বাহের কিতাব)

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন