৬৩) পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরবানী

৬৩) পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরবানী

খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
انا اعطينك الكوثر فصل لربك وانحر
অর্থ: “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে কাওছার বা বহু কল্যাণ হাদিয়া করেছি। অতএব, আপনি আপনার প্রতিপালকের জন্য নামায পড়–ন এবং কুরবানী করুন।”

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
افضل العبادات يوم العيد عراقة دم القربا
অর্থ: “পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দিন কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করা অর্থাৎ পশু যবেহ করা সর্বশ্রেষ্ঠ আমল।” সুবহানাল্লাহ!

খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لن ينال الله لحومها ولا دمائها ولكن يناله التقوى منكم
অর্থ: “পবিত্র কুরবানীর পশুর গোশ্ত ও রক্ত কোনোকিছুই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পৌঁছে না। শুধু তাক্বাওয়াই পৌঁছে থাকে।” সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবাক হয়েছে, “পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দিনে কুরবানীর পশুর রক্ত গোশ্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার গুনাহখাতা মাফ করে দেন।” সুবহানাল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক কুরবানী করার তাওফীক দান করুন। আমীন!

এই সম্পর্কিত আরো পোস্ট সমূহ



হযরত হাবীল আলাইহিস সালাম উনার ও কাবীলের কুরবানী

পৃথিবীর প্রথম কুরবানী সংঘটিত হয় হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন সময় থেকেই। হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও উম্মুল বাশার

বিস্তারিত পড়ুন

হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনিই যবীহুল্লাহ

‘তাফসীরে মাযহারী’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “এ কথা সুনিশ্চিত যে, ‘পবিত্র সূরা ছফফাত শরীফ’ উনার ১০১নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উদ্ধৃতغلام حليم অর্থাৎ ‘ধৈর্যশীল পুত্র’

বিস্তারিত পড়ুন